মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাজনগর উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সোনাটিকী এলাকার সৈয়দ নাসির আলী (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল আলী নামে অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করে রাজনগর থানা পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে অভিযুক্ত , সৈয়দ নাসির আলী (৪০) পাশের তার পাশের ঘরের মুহিবুর রহমান এর ১০ বছরের মেয়েকে কৌশলে পাশের ঘরের ভেতরে নিয়ে জোরপূর্বক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে শারীরিক নির্যাতন চালায়। অসহায় কিশোরীর আর্তচিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর মানসিক আঘাত ও শারীরিক অসুস্থ অবস্থায় কিশোরীকে প্রথমে রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রাজনগর থানার ওসি আসামীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ-গ্রেপ্তারের পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল মামলা থেকে অভিযুক্তকে "ছুটি" পাইয়ে দিতে বিভিন্নভাবে তদবির ও চাপ সৃষ্টি করছে। এমনকি পরিবারকে আপস-মীমাংসার ইঙ্গিতও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। তারা ন্যায় বিচারের জন্য সবার কাছে প্রক্যাশা করছেন।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাজনগর উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সোনাটিকী এলাকার সৈয়দ নাসির আলী (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল আলী নামে অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করে রাজনগর থানা পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে অভিযুক্ত , সৈয়দ নাসির আলী (৪০) পাশের তার পাশের ঘরের মুহিবুর রহমান এর ১০ বছরের মেয়েকে কৌশলে পাশের ঘরের ভেতরে নিয়ে জোরপূর্বক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে শারীরিক নির্যাতন চালায়। অসহায় কিশোরীর আর্তচিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর মানসিক আঘাত ও শারীরিক অসুস্থ অবস্থায় কিশোরীকে প্রথমে রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রাজনগর থানার ওসি আসামীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ-গ্রেপ্তারের পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল মামলা থেকে অভিযুক্তকে "ছুটি" পাইয়ে দিতে বিভিন্নভাবে তদবির ও চাপ সৃষ্টি করছে। এমনকি পরিবারকে আপস-মীমাংসার ইঙ্গিতও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। তারা ন্যায় বিচারের জন্য সবার কাছে প্রক্যাশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন